আল্লাহর বিরুদ্ধে সবচেয়ে বড় পাপ থেকে সমগ্র মানবজাতির পরিত্রাণ
সবচেয়ে বড় পাপ যা আল্লাহ কখনও ক্ষমা করবেন না সে সম্পর্কে কিছু খুঁটিনাটি তথ্য এখানে উল্লেখ করা অপরিহার্য। এই ক্ষমার অযোগ্য পাপ হলো শির্ক।
শির্ক ইঙ্গিত করে আল্লাহর সঙ্গে অংশীদার আরোপ করা বা আল্লাহ ছাড়াও অন্যান্যদের প্রতি ঐশ্বরিক বা খোদায়ী গুণাবলী আরোপ করা এবং বিশ্বাস করা যে, শক্তির উৎস, ক্ষতি এবং আশীর্বাদ বা দান আল্লাহ ছাড়াও অন্যান্যদের কাছ থেকে আসে।
সর্বশক্তিমান আল্লাহ বলেন, “নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁহার সঙ্গে ইবাদতে শরীক করা ক্ষমা করেন না। ইহা ব্যতীত অন্যান্য অপরাধ যাহাকে ইচ্ছা ক্ষমা করেন; এবং যে কেহ আল্লাহর ইবাদতে শরীক করে সে এক মহাপাপ করে।” (সূরা নিসা, আয়াত নং ৪৮)
সর্বশক্তিমান আল্লাহ বলেন, “এবং যেদিন শিংগায় ফুৎকার দেওয়া হইবে, সেদিন পরস্পরের মধ্যে আত্নীয়তার বন্ধন থাকিবে না, এবং একে অপরের খোঁজ-খবর লইবেনা, এবং যাহাদের পাল্লা (সৎকাজের) ভারী হইবে তাহারা ইহইবে সফলকাম, এবং যাহাদের পাল্লা (সৎকাজের) হালকা হইবে তাহারাই নিজেদের ক্ষতি করিয়াছে; উহারা জাহান্নামে স্থায়ী হইবে। অগ্নি উহাদের মুখমণ্ডল দগ্ধ করিবে এবং উহারা সেখানে থাকিবে বীভৎস চেহারায়; (বলা হবে) তোমাদের নিকট কি আমার আয়াত আবৃত্তি করা হইতনা? অথচ তোমারা সেই সকল অস্বীকার করিতে। উহারা বলিবে, 'হে আমাদের প্রতিপালক! দুর্ভাগ্য আমাদেরকে পাইয়া বসিয়াছিলো এবং আমরা ছিলাম এক বিভ্রান্ত সম্প্রদায়। 'হে আমাদের প্রতিপালক! এই অগ্নি হইতে আমাদেরকে উদ্ধার কর; অতঃপর আমরা যদি পুনরায় পাপাচারে লিপ্ত হই তবে তো আমরা অবশ্যই সীমালংঘনকারী (বহু-ঈশ্বরবাদী, অত্যাচারী, অন্যায় এবং অপকর্মকারী) হইব। ' আল্লাহ বলিবেন, 'তোরা হীন অবস্থায় এইখানে থাক এবং আমার সঙ্গে কোন কথা বলিসনা।” (সূরা আল-মুমিনুন, আয়াত নং ১০১-১০৮)
“যে ব্যক্তি আল্লাহ্র সঙ্গে ডাকে অন্য ইলাহ্ (উপাস্যকে) কে, এই বিষয়ে তাহার নিকট কোন সনদ বা প্রমাণ নাই; তাহার হিসাব প্রতিপালকের নিকট আছে। নিশ্চয়ই কাফিররা সফলকাম হইবেনা।” (সূরা আল-মুমিনুন, আয়াত নং ১১৭)